+৮৮০ ১৮৪৭ ৮০১৩০০ info@albarakahfoundationbd.org নিবন্ধন নং এস-১৫০৪৭/২০২৬
আল-বারাকাহ ফাউন্ডেশন
মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম

আমাদের সম্পর্কে

একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সরকার-নিবন্ধিত মানবিক সংগঠন — কল্যাণ, শিক্ষা ও দাওয়াহর পথে।

আমাদের পরিচয়

নামটির অর্থই আমাদের কাজের নিয়ম।

“বারাকাহ” মানে বরকত — যা সামান্য থেকে শুরু হয়ে বেড়ে চলে। আমাদের বিশ্বাস, একটি নলকূপ কেবল একটি পরিবারের পানির কষ্ট মেটায় না; সেটি একটি জনপদের স্বাস্থ্য, একটি শিশুর স্কুলে যাওয়া আর একজন মায়ের সময় ফিরিয়ে দেয়।

২০২৬ সালে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুযায়ী নিবন্ধিত হয়ে আল-বারাকাহ ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে। এখন আমাদের কার্যক্রম চলছে গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ির চরাঞ্চলে, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত জনপদে, এবং ঢাকার আশপাশের প্রান্তিক এলাকায়।

আমরা রাজনীতি করি না, প্রচারের জন্য কাজ করি না। প্রতিটি প্রকল্পে উপকারভোগীর নাম, ঠিকানা ও প্রাপ্ত উপকরণ লিখিতভাবে নথিভুক্ত থাকে — যাতে দাতা চাইলেই দেখে নিতে পারেন তাঁর দান ঠিক কার কাছে পৌঁছেছে।

আমাদের কাজে অংশ নিন
টিউবওয়েল প্রকল্প-২০২৬ — উপকারভোগীর হাতে নথি ও নলকূপের সামগ্রী

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আমরা কী করতে চাই।

দ্রুততা

দুর্যোগের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া — নৌকা, সিএনজি বা হেঁটে, যেভাবেই হোক।

স্থায়িত্ব

ত্রাণ দিয়ে শুরু, কিন্তু শেষ নয়। নলকূপ, পায়খানা ও জীবিকা — যা পরের দুর্যোগে ক্ষতি কমায়।

স্বচ্ছতা

প্রতিটি উপকারভোগীর নথি, প্রতিটি ফান্ডের মাসিক হিসাব, আর বছর শেষে উন্মুক্ত প্রতিবেদন।

মর্যাদা

সাহায্য নয়, সহমর্মিতা। উপকারভোগীর ছবি বা গল্প কখনও অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা হয় না।

আমাদের পথচলা

শুরু থেকে আজ পর্যন্ত।

প্রতিটি ধাপে আমরা একটি করে নতুন জেলায় পৌঁছেছি, আর একটি করে নতুন প্রকল্প শুরু করেছি।

সরকারি নিবন্ধন

সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুযায়ী নিবন্ধন — নং এস-১৫০৪৭/২০২৬, ঢাকা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

সাঘাটা ও ফুলছড়ির স্কুল-মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের হাতে ফলদ ও বনজ চারা বিতরণ।

টিউবওয়েল প্রকল্প

গোবিন্দপুর ও আশপাশের গ্রামে আর্সেনিক-পরীক্ষিত গভীর নলকূপ স্থাপন শুরু।

স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প

সক্ষম অথচ দরিদ্র পরিবারের হাতে ছাগল ও পালনের প্রশিক্ষণ — নির্ভরশীলতা নয়, স্বাবলম্বিতা।

জরুরি ত্রাণ বিতরণ

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত পানিবন্দী পরিবারের মাঝে নৌকা ও সিএনজিতে ত্রাণ।

মসজিদ আবু বকর সিদ্দিক (রা)

ফাউন্ডেশনের নিজস্ব মসজিদ, গ্রন্থাগার ও শিক্ষাকেন্দ্র নির্মাণাধীন।

স্বচ্ছতা

কাগজপত্র সবার জন্য খোলা।

আমরা সরকার-নিবন্ধিত, এবং আমাদের নিবন্ধন সনদ পাশেই দেখতে পাচ্ছেন। বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব, প্রকল্পভিত্তিক প্রতিবেদন ও উপকারভোগীর তালিকা যেকোনো দাতা চাইলে দেখে নিতে পারেন।

  • প্রতিটি ফান্ড আলাদা হিসাবে রাখা হয়, মেশানো হয় না
  • প্রতি উপকারভোগীর নাম, ঠিকানা ও প্রাপ্ত উপকরণ নথিভুক্ত
  • নির্ধারিত ফান্ডের ১০০% মাঠে যায়; পরিচালন ব্যয় আলাদাভাবে বহন করা হয়
  • আয়কর রেয়াতের রসিদ চাইলেই পাওয়া যায়
প্রতিবেদন চেয়ে নিন
আল-বারাকাহ ফাউন্ডেশনের সরকারি নিবন্ধন সনদ, নং এস-১৫০৪৭/২০২৬

সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ · সনদ নং এস-১৫০৪৭/২০২৬ · ৯ জুলাই ২০২৬, ঢাকা

পরিচালনা পর্ষদ

যাঁরা দায়িত্বে আছেন।

পর্ষদের সদস্যদের নাম, পদবি ও ছবি এখানে যুক্ত করা হবে।

ছবি

সভাপতি

পরিচালনা পর্ষদ
ছবি

সাধারণ সম্পাদক

পরিচালনা পর্ষদ
ছবি

কোষাধ্যক্ষ

পরিচালনা পর্ষদ
ছবি

মাঠ সমন্বয়ক

গাইবান্ধা অঞ্চল

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যা দাতারা জানতে চান।

আপনি যে ফান্ড নির্ধারণ করে দেন, তার ১০০% সেই খাতেই ব্যয় হয়। অফিস ভাড়া, পরিবহন ও কর্মীদের সম্মানীর মতো পরিচালন ব্যয় আলাদাভাবে সাধারণ ফান্ড ও পর্ষদ সদস্যদের ব্যক্তিগত অনুদান থেকে বহন করা হয়।

হ্যাঁ। যাকাত ফান্ড সম্পূর্ণ আলাদা হিসাবে রাখা হয় এবং কেবল কুরআনে বর্ণিত আটটি খাতে (সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৬০) বিতরণ করা হয়। অন্য কোনো খাতে — এমনকি পরিচালন ব্যয়েও — যাকাতের অর্থ ব্যবহার করা হয় না।

দান করার সময় আপনার নাম ও মোবাইল নম্বর দিলে আমরা রসিদ পাঠিয়ে দিই। আগের কোনো দানের রসিদ প্রয়োজন হলে যোগাযোগ পাতায় জানিয়ে দিন — লেনদেনের তারিখ ও পরিমাণ উল্লেখ করলে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।

অবশ্যই। আগে থেকে জানালে আমরা মাঠ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করি। বিতরণের দিনগুলোতে দাতা ও স্বেচ্ছাসেবক উভয়কেই আমরা সাথে নিতে চাই — নিজের চোখে দেখা তথ্যের চেয়ে ভালো প্রতিবেদন আর হয় না।

আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রান্সফার বা কার্ডের মাধ্যমে দান করা যায়। প্রয়োজনীয় সুইফট কোড, হিসাব নম্বর ও ডকুমেন্টেশনের জন্য যোগাযোগ পাতা থেকে বার্তা পাঠান — আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।

কল্যাণের পথে, বরকতের সাথে দান করুন