দ্রুততা
দুর্যোগের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া — নৌকা, সিএনজি বা হেঁটে, যেভাবেই হোক।

একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সরকার-নিবন্ধিত মানবিক সংগঠন — কল্যাণ, শিক্ষা ও দাওয়াহর পথে।
আমাদের পরিচয়
“বারাকাহ” মানে বরকত — যা সামান্য থেকে শুরু হয়ে বেড়ে চলে। আমাদের বিশ্বাস, একটি নলকূপ কেবল একটি পরিবারের পানির কষ্ট মেটায় না; সেটি একটি জনপদের স্বাস্থ্য, একটি শিশুর স্কুলে যাওয়া আর একজন মায়ের সময় ফিরিয়ে দেয়।
২০২৬ সালে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুযায়ী নিবন্ধিত হয়ে আল-বারাকাহ ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে। এখন আমাদের কার্যক্রম চলছে গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ির চরাঞ্চলে, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত জনপদে, এবং ঢাকার আশপাশের প্রান্তিক এলাকায়।
আমরা রাজনীতি করি না, প্রচারের জন্য কাজ করি না। প্রতিটি প্রকল্পে উপকারভোগীর নাম, ঠিকানা ও প্রাপ্ত উপকরণ লিখিতভাবে নথিভুক্ত থাকে — যাতে দাতা চাইলেই দেখে নিতে পারেন তাঁর দান ঠিক কার কাছে পৌঁছেছে।
আমাদের কাজে অংশ নিন
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
দুর্যোগের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া — নৌকা, সিএনজি বা হেঁটে, যেভাবেই হোক।
ত্রাণ দিয়ে শুরু, কিন্তু শেষ নয়। নলকূপ, পায়খানা ও জীবিকা — যা পরের দুর্যোগে ক্ষতি কমায়।
প্রতিটি উপকারভোগীর নথি, প্রতিটি ফান্ডের মাসিক হিসাব, আর বছর শেষে উন্মুক্ত প্রতিবেদন।
সাহায্য নয়, সহমর্মিতা। উপকারভোগীর ছবি বা গল্প কখনও অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা হয় না।
আমাদের পথচলা
প্রতিটি ধাপে আমরা একটি করে নতুন জেলায় পৌঁছেছি, আর একটি করে নতুন প্রকল্প শুরু করেছি।
সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুযায়ী নিবন্ধন — নং এস-১৫০৪৭/২০২৬, ঢাকা।
সাঘাটা ও ফুলছড়ির স্কুল-মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের হাতে ফলদ ও বনজ চারা বিতরণ।
গোবিন্দপুর ও আশপাশের গ্রামে আর্সেনিক-পরীক্ষিত গভীর নলকূপ স্থাপন শুরু।
সক্ষম অথচ দরিদ্র পরিবারের হাতে ছাগল ও পালনের প্রশিক্ষণ — নির্ভরশীলতা নয়, স্বাবলম্বিতা।
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত পানিবন্দী পরিবারের মাঝে নৌকা ও সিএনজিতে ত্রাণ।
ফাউন্ডেশনের নিজস্ব মসজিদ, গ্রন্থাগার ও শিক্ষাকেন্দ্র নির্মাণাধীন।
স্বচ্ছতা
আমরা সরকার-নিবন্ধিত, এবং আমাদের নিবন্ধন সনদ পাশেই দেখতে পাচ্ছেন। বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব, প্রকল্পভিত্তিক প্রতিবেদন ও উপকারভোগীর তালিকা যেকোনো দাতা চাইলে দেখে নিতে পারেন।
সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ · সনদ নং এস-১৫০৪৭/২০২৬ · ৯ জুলাই ২০২৬, ঢাকা
পরিচালনা পর্ষদ
পর্ষদের সদস্যদের নাম, পদবি ও ছবি এখানে যুক্ত করা হবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আপনি যে ফান্ড নির্ধারণ করে দেন, তার ১০০% সেই খাতেই ব্যয় হয়। অফিস ভাড়া, পরিবহন ও কর্মীদের সম্মানীর মতো পরিচালন ব্যয় আলাদাভাবে সাধারণ ফান্ড ও পর্ষদ সদস্যদের ব্যক্তিগত অনুদান থেকে বহন করা হয়।
হ্যাঁ। যাকাত ফান্ড সম্পূর্ণ আলাদা হিসাবে রাখা হয় এবং কেবল কুরআনে বর্ণিত আটটি খাতে (সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৬০) বিতরণ করা হয়। অন্য কোনো খাতে — এমনকি পরিচালন ব্যয়েও — যাকাতের অর্থ ব্যবহার করা হয় না।
দান করার সময় আপনার নাম ও মোবাইল নম্বর দিলে আমরা রসিদ পাঠিয়ে দিই। আগের কোনো দানের রসিদ প্রয়োজন হলে যোগাযোগ পাতায় জানিয়ে দিন — লেনদেনের তারিখ ও পরিমাণ উল্লেখ করলে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।
অবশ্যই। আগে থেকে জানালে আমরা মাঠ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করি। বিতরণের দিনগুলোতে দাতা ও স্বেচ্ছাসেবক উভয়কেই আমরা সাথে নিতে চাই — নিজের চোখে দেখা তথ্যের চেয়ে ভালো প্রতিবেদন আর হয় না।
আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রান্সফার বা কার্ডের মাধ্যমে দান করা যায়। প্রয়োজনীয় সুইফট কোড, হিসাব নম্বর ও ডকুমেন্টেশনের জন্য যোগাযোগ পাতা থেকে বার্তা পাঠান — আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।