০১
ত্রাণ, পানি ও স্বাস্থ্য
দুর্যোগ আঘাত হানলে তাৎক্ষণিক সাড়া, তারপর সেই ধীর কাজ যা পরের বারের ক্ষত কমিয়ে আনে।
- জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন
- চরাঞ্চলে গভীর নলকূপ
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা
- শীতের কম্বল ও গরম কাপড়
সরকার-নিবন্ধিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান · এস-১৫০৪৭/২০২৬
ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানি, এতিম ও পরিবারের যত্ন, শিক্ষা ও জীবিকা এবং মসজিদ ও দাওয়াহ — গাইবান্ধার চর থেকে কক্সবাজারের বন্যাকবলিত জনপদ পর্যন্ত। একবার দিন, প্রতি মাসে দিন, কিংবা আপনার যাকাত দিন — আর দেখে নিন তা কোন জেলায় গিয়ে পৌঁছাল।
চারটি কার্যক্ষেত্র
আমাদের প্রতিটি কর্মসূচিকে চারটি স্তম্ভের নিচে সাজানো হয়েছে, যাতে লম্বা তালিকা না ঘেঁটে এক নজরেই আপনি নিজের জায়গাটি খুঁজে পান। প্রতিটি স্তম্ভ একটি স্থায়ী অঙ্গীকার — যার নিজস্ব মাঠকর্মী দল আছে, নিজস্ব হিসাবও আছে।
০১
দুর্যোগ আঘাত হানলে তাৎক্ষণিক সাড়া, তারপর সেই ধীর কাজ যা পরের বারের ক্ষত কমিয়ে আনে।
০২
এতিম শিশুর দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব, বয়োবৃদ্ধ প্রতিবেশীর মর্যাদা, আর বছরের দুটি বিশেষ আহার।
০৩
মেধাবী শিক্ষার্থীকে স্কুলে ধরে রাখা, আর সক্ষম মানুষের হাতে এমন হাতিয়ার তুলে দেওয়া যাতে সাহায্যের প্রয়োজনই ফুরিয়ে যায়।
০৪
যে ঘরে একটি জনপদ নামাজ পড়ে, যে পানিতে অজু করে, আর যে শিক্ষা আমাদের চলে যাওয়ার পরও রয়ে যায়।
দানের বর্ষপঞ্জি
রমজানে ইফতার। জিলহজে কুরবানি। পৌষে কম্বল। শুষ্ক মৌসুম ফুরানোর আগে নলকূপ, আর নদী ফুঁসে উঠলে উদ্ধারের নৌকা। চাকা ঘুরিয়ে দেখুন কোন মাসে মাঠ থেকে কী চাওয়া হচ্ছে — আর আপনার দান ঠিক এখন কী কিনে দিতে পারে।
আগস্টভরা বর্ষা
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে যখন পানি ঘরে ঢোকে, একটি রাতেই পরিবারগুলো হারায় ঘর, ফসল আর খাওয়ার পানি।
এই মাস — আগস্ট
সকল ফান্ড
প্রতিটি ফান্ডের নিজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আছে, নিজস্ব মাঠ-দল আছে, আর প্রতি মাসে মিলিয়ে দেখা হিসাব আছে।
আল-বারাকাহ ফাউন্ডেশনে দেওয়া দান বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আয়কর রেয়াতের যোগ্য। রসিদের জন্য যোগাযোগ করুন →
এক নজরে
প্রতিটি ফান্ড প্রতি মাসে মিলিয়ে দেখা হয় এবং বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়। নিচের সংখ্যাগুলো ফাউন্ডেশন নিবন্ধনের পর থেকে মোট হিসাব।
“যে ব্যক্তি একটি প্রাণ বাঁচাল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে বাঁচাল।”
আল-কুরআন ৫:৩২আমাদের নিবন্ধন সনদ, বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও প্রকল্পভিত্তিক প্রতিবেদন উন্মুক্ত। যেকোনো দাতা যেকোনো সময় তা দেখে নিতে পারেন।
স্বচ্ছতা ও প্রতিবেদন দেখুনপরিবর্তনের গল্প
গোবিন্দপুর · সাঘাটা, গাইবান্ধা
“আগে আধা ঘণ্টা হাঁটতাম পানির লাইগা। এহন উঠানেই কল।”
আগে পুকুরের ঘোলা পানিই ভরসা ছিল। এখন উঠানের গভীর নলকূপ থেকেই বিশুদ্ধ পানি মেলে।
বেড়া · সাঘাটা, গাইবান্ধা
“ছাগলটা এহন দুইটা বাচ্চা দিছে। আর কারো কাছে হাত পাতা লাগে না।”
স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পে একটি ছাগল আর পালনের প্রশিক্ষণ — সহায়তা নয়, একটি পরিবারের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শুরু।
কক্সবাজার · বন্যাদুর্গত এলাকা
“পানি নামার আগেই ওরা নৌকা লইয়া আইছিল। চাল, ডাল, তেল।”
কাদা মাড়িয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছেছে ত্রাণের বস্তা — সড়ক তখনও পানির নিচে, তাই শেষ অংশটুকু হেঁটেই।
ফুলছড়ি · গাইবান্ধা
“আমার গাছটা আমি নিজে লাগাইছি। বড় হইলে আম ধরব।”
এক দিনে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলদ ও বনজ চারা — এখন ছায়া, ছয় বছর পর আয়।
দান করার মাধ্যম
মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংক ট্রান্সফার কিংবা কার্ড। ফান্ডের নামটি উল্লেখ করে দিন, যাতে আমরা সঠিক খাতে বরাদ্দ করে আপনাকে রসিদ পাঠাতে পারি।
০১৮৪৭ ৮০১৩০০ · পেমেন্ট, সেন্ড মানি নয়০১৮৪৭ ৮০১৩০০ · মার্চেন্ট পেমেন্ট১২৩৪ ৫৬৭৮ ৯০১২ · ইসলামী ব্যাংক, ঢাকাপ্রবাসী দাতাগণ: আন্তর্জাতিক ট্রান্সফারের তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন →
আমাদের সাথে যুক্ত হোন
আপনার পছন্দের ফান্ডে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক। নিয়মিত আয় থাকলেই কেবল আমরা একটি শিশুর দশ বছরের দায়িত্ব নিতে পারি।
মাসিক দান শুরু করুন →এককালীন একটি অনুদান, যা সদাকায়ে জারিয়াহ হিসেবে জমা থাকে। দান শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তা নলকূপ আর শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলে।
আবেদন করুন →বিতরণের দিন, জরিপের কাজ কিংবা দক্ষতা কেন্দ্রে পাঠদানে জেলা দলের সাথে যোগ দিন। বিশেষত ছুটির দিনে ও রমজানে।
দলে যোগ দিন →মাঠকর্মী, হিসাবরক্ষক, শিক্ষক ও প্রশিক্ষক। কাজটিকেই যদি পারিশ্রমিক মনে করেন, আমরা নিয়োগ দিচ্ছি।
শূন্যপদ দেখুন →মাঠের ছবি
জ্ঞানকেন্দ্র
গবেষণাসাঘাটা ও ফুলছড়ির ৯৬টি নলকূপের ফলাফল, আর নতুন প্রতিটি নলকূপে আমরা এখন যে গভীরতার নিয়ম মেনে চলি।
গবেষণাপত্রটি পড়ুন →
সংবাদনৌকা, সিএনজি আর একদল স্বেচ্ছাসেবক — প্রথম দফায় পানিবন্দী পরিবারের ঘরে পৌঁছেছে শুকনো খাবারের প্যাকেট।
হালনাগাদ পড়ুন →
গল্পফুলছড়ির স্কুল-মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি — প্রতিটি চারার দায়িত্ব একজন শিক্ষার্থীর কাঁধে।
গল্পটি পড়ুন →আজই শুরু হোক
৳১,৫০০-এ একটি পরিবারের ত্রাণ প্যাকেট। ৳২৮,০০০-এ একটি গ্রামের নিরাপদ পানি। ৳২,০০০-এ একটি এতিম শিশুর মাসিক দায়িত্ব। আপনি কোনটি বেছে নেবেন?
আপনার ফান্ড কোথায় গেল, কী কিনল, আর সামনে কী প্রয়োজন। কোনো অনুদান-আবেদনের ভিড় নয়।